লংগদুতে মাছ-সবজির বাজার উদ্ধর্মুখী; চালের বাজার স্থিতিশীল।

0 ৭৯

।। সাকিব আলম মামুন।।
রাংগামাটির লংগদু উপজেলার বৃহত্তর মাইনীমুখ বাজারে সবজির বাজারে গিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ছে সাধারণ মানুষ। কাঁচা মরিচের কেজি ২০০ টাকা। এক কেজি করল্যা ৩০ থেকে ৪০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। পটল এক কেজি ৫৫ থেকে ৬০ টাকা। প্রতি কেজি বেগুন ৫০ টাকা, বরবটি ৪০ টাকা গাজর ১২০ টাকা। সীম ১২০ টাকা। আলু ৪০ টাকা। এতো দাম দিয়ে সবজি কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। বাজারে সবজির দর টালমাটাল বন্ধ হওয়ার আপাতত কোনো লক্ষন নেই!
উপজেলার গুলশাখালী এলাকার একজন বাসিন্দা বাজার করতে আসেন, তিনি বলেন- বাজারে আসলে মাথা খারাপ হয়ে যায়। তিনি ঢেঁড়স আর মিষ্টি কুমড়া কিনে বিষণ্ণ মনে বলেন দাম বেশি, কি আর করার; হাল্কা বাজার করলাম।
এদিকে দেশে অনেকটাই আমদানি নির্ভর পেয়াজের বাজার। বিশেষ করে ভারত থেকে আমদানি করা হয় মোট চাহিদার অর্ধেক পেয়াজ। কিন্তু হঠাৎ করে পেয়াজের দাম বাড়তে শুরু করেছে। শনিবার মাইনীমুখ বাজারে এমনটা দেখা গিয়েছে। প্রতি কেজি পেয়াজের দাম বেড়েছে ৫-৬ টাকা। বড় সাইজের এলসি’র পেয়াজ প্রতি কেজি ছিলো ২৫ টাকা, এখন তা বেড়ে ৩০/৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছোট সাইজের পেয়াজ যা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০/৪৫ টাকা; যা ক’দিন আগে ছিল ৩০-৩৫ টাকা।
খুচরা বিক্রেতা শফিকুল ইসলাম বলেন, সবজির বাজার ফরিয়ারদের হাতে চলে গেছে। তারা অল্প দামের সবজি বেশি দামে বিক্রি করছে। আমরা কি করবো। মাইনীমুখ বাজারে খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতা সোহেল জানান, আমদানি চলে যাওয়ায় পেয়াজের দাম বাড়তি। যদি আমদানি এমন থাকে তাহলে দাম আরো বাড়তে পারে। এদিকে এক সূত্রে জানা যায়, গত এক সপ্তাহে ভারতে পেয়াজের দাম বেড়েছে ৫১ শতাংশ। ফলে দেশে পেয়াজের দাম বাড়ছে। এছাড়াও সবজির বাজার ক’দিন আগেও বেশ চড়া ছিল। আবার কিছু কিছু সবজি কেজিতে ৫/৭ টাকা কমে এখন ২০ টাকায় দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে মাছের বাজার এখনো চড়া।
এদিকে প্রতি কেজি বয়লার মুরগি ১৩০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। সোনালী মুরগি এখন ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগি ৩২০/৩৩০ টাকা দরে বিক্রি হয়। অন্যদিকে খাসি ও গরুর মাংসের বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। এছাড়া চাউলের বাজারও স্থির রয়েছে বলে জানা যায়।
চাল ব্যবসায়ী সোহেল জানান যে, চালের দাম যতটুকু বেড়েছে হয়ত আপাতত আর বাড়বে না এবং কমারও সম্ভবনা নাই। এদিকে মোটা চাউলের বাজারে তেমন একটা সরবারহ নেই। কারণ- হিসেবে জানা যায় সরকারি চাল সংগ্রহের ফলে এসব চাল গুদামে যাচ্ছে।

আপনার ইমেইল প্রদর্শন করা হবে না।