বিজিবির এডি’র বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের সংবাদের প্রতিবাদ

0 ৭৬

বিজিবির এডি’র বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের সংবাদের প্রতিবাদ

মো.গোলামুর রহমান,লংগদু(রাঙ্গামাটি)

ফরিদপুরের সাংবাদিক এর বিরুদ্ধে বিজিবি এডি’র সাইবার ক্রাইমে মিথ্যা মামলা শিরোনামের গত ১০ মার্চ ২০২৪ তারিখে ক্রাবিজিবিরইম নিউজ প্রতিদিন অনলাইন/পত্রিকা হতে সংবাদ প্রকাশ করা হয়।

উক্ত সংবাদের প্রেক্ষিতে আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারী মোঃ হাফিজুর রহমান,এই মর্মে প্রতিবাদ জানাচ্ছি যে, আপনার পত্রিকায় সাংবাদিক মিজান কর্তৃক যে সকল তথ্য প্রকাশ করেছে তা সম্পূর্ন মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রনোদিত, উক্ত সাংবাদিক মিজান আমার পিতার সাথে দৈনিক একুশের বানী প্রত্রিকায় কাজ করতো। গত ২০১৪ সালে বিভিন্ন অনিয়মের জন্য সম্পাদক কর্তৃক মিজানকে পত্রিকা থেকে বহিষ্কার করে। উক্ত বহিষ্কার কে কেন্দ্র করে মিজান ও সাংবাদিক হাবিবুর রহমানের সাথে দন্ধের সূত্রপাত হয়।

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য

ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকা সহ তার ব্যক্তিগত ফেইসবুক আইডিতে অপপ্রচার করেই যাচ্ছে। সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে জানা যায় যে, আসামী মিজানের বিরুদ্ধে, বরগুনা জেলার সাংবাদিক রুবি আক্তার বাদী হয়ে, বরগুনা সদর থানায় একটি মামলা করেছেন। যাহা বরগুনা সদর থানার জি আর মামলা নং- ১৩৮৮/২০২২ ইং। ধারা ৩৪১/৩২৩/৩০৭/৩২৫/৩৫৪/৩৭৯/৫০৬ (২) দন্ডবিধি। মামলাটি স্বাক্ষীর শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে সূত্রে প্রকাশ।

এছাড়াও ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা থানার, জঙ্গুরদী গ্রামের সরকারী কাজী মৌলভী মোঃ মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে, আসামী মিজান গংদের বিরুদ্ধে নগরকান্দা থানায় একটি মামলা করেন। যাহা নগরকান্দা থানার জি আর মামলা নং ১০০/২০২৪ ইং। ধারা ৩২৩/৩২৬/৩২৬ (ক)/৩০৭/৩৭৯/৩৪ দন্ডবিধি। মামলাটির তদন্ত চলমান রয়েছে। এছাড়াও নগরকান্দা থানার গজারিয়া গ্রামের মোসাঃ শাহারা আক্তার বাদী হয়ে উক্ত মিজান গংদের বিরুদ্ধে ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে একটি মামলা করেন। মামলা নং- ৬৬/২০২৪ ইং। ধারা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী-৩) এর ১১ (গ)/৩০ ধারা। মামলাটির স্বাক্ষি শেষ হয়েছে, রায়ের অপেক্ষায় রয়েছে। এছাড়াও উক্ত শাহারা আক্তার বাদী হয়ে আসামী মিজান গংদের বিরুদ্ধে ফরিদপুর নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে আরও একটি মামলা করেন। যাহার নং- ৪৭৪/২৩ ইং। ধারা -১০৭/১১৭ সি। এছাড়া নগরকান্দা থানার কল্যানপট্টি গ্রামের মোঃ ইলিয়াছ মাতুব্বর ও ফরিদপুর জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি মামলা করেন, মিজানের জমজ ভাই আবুল হাসানের বিরুদ্ধে। যাহার মামলা নং- ১৯/২০২৪ ইং। ধারা ৪০৬/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/৫০৬ (২) দন্ডবিধি। এছাড়া নগরকন্দা থানার শালিথা গ্রামের কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার মোঃ হাবিদুর রহমান শিশির বাদী হয়ে, ফরিদপুর ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে উক্ত মিজান গংদের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। যাহার মামলা নং- ৪৭৫/২২ ইং। ধারা ৫০০/৫০৬ দন্ডবিধি। এছাড়া নগরকান্দা থানার মোঃ হাবিবুর রহমান সাংবাদিক কলামিস্ট বাদী হয়ে ঢাকা সি এম এম আদালতে আসামী মিজানের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। যাহার নং ৭৪/২০১৫ ইং। ধারা ৫০০/৫০১/৫০৬ দন্ডবিধি। মামলাটির স্বাক্ষি চলমান রয়েছে। এছাড়াও উক্ত মিজান এর বিরুদ্ধে নগরকান্দা থানার শালিথা গ্রামের মোঃ দেলোয়ার, মিজানের বিরুদ্ধে ফরিদপুর আদালতে মামলা করেন। মামলার নং- ৩৩৫/২২ ইং। নগরকান্দা থানা সহ দেশের বিভিন্ন থানায় অসংখ্য ডায়েরী রয়েছে উক্ত মিজানের বিরুদ্ধে।সংবাদটিতে স্থানীয় ভুক্তভোগীদের বক্তব্য, মামলার কপি, সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে ও বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে করা হয়েছে। এখানে কাউকে ছোট করার জন্য বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে প্রতিবেদনটি করা হয়নি বা প্রতিবেদকের নিজস্ব মতামতের ভিত্তিতে করা হয়নি।

আপনার ইমেইল প্রদর্শন করা হবে না।