লংগদুতে প্রশাসনের উদ্যোগে সেনা জোন কমান্ডারকে বিদায় ও নবাগত কমান্ডারকে বরণ সংবর্ধনা

৬৪

লংগদুতে প্রশাসনের উদ্যোগে সেনা জোন কমান্ডারকে বিদায় ও নবাগত কমান্ডারকে বরণ সংবর্ধনা

: আলোকিত লংগদু ডেক্স :
রাঙামাটির লংগদুতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সেনা জোনরে জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল মিরাজ হায়দার চৌধুরী এর বিদায় ও নবাগত জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল মোঃ তাকবির আব্দুল্লাহ (পিএসসি)কে বরণ সংবর্ধনা প্রদান করা হেয়েছে।
সোমবার (১নভেম্বর), লংগদু উপজেলা সদরে পাবলিক লাইব্রেরী মিলনায়তনে আয়োজিত বিদায় ও বরণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব ও পরিচালনা করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মাইনুল আবেদীন।
এরপূর্বে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিদায়ী ও নবাগত জোন কমান্ডারকে ফুলেল শুভেচ্ছা দিয়ে বরণ করা হয়। এসময় লংগদু উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল বারেক সরকার, জোনের উপঅধিনায়ক মেজর মোঃ সজিব হোসেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম ঝান্টু সহ বিভিন্ন কর্মকর্তা ও ইউপি চেয়ারম্যান এতে উপস্থিত ছিলেন।

নবাগত জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল মোঃ তাকবির আব্দুল্লাহ বলেন, লংগদুবাসীরা খুবই আন্তরিক আমি অনেক প্রশংসা শুনেছি। আমি উন্নয়নে কাজ করে যেতে চাই। অতীতে আপনারা যেভাবে জোন স্যারকে সহযোগিতা করেছেন আমাকেও ঠিক সেভাবে সহযোগিতা করবেন আশাকরি।
বিদায়ী জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল মিরাজ হায়দার চৌধুরী বক্তব্যে বলেন, লংগদুর মানুষের মন সুন্দর। আমি খুবই আন্তরিক সহযোগীতা পেয়েছি। যার ফলে লংগদুতে স্বল্প সময়ের মধ্যে অনেকগুলো বড় অর্জণ করা সম্ভব হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, জিওসি মহোদয়ের বিশেষ সহযোগিতায় লংগদুর কলেজটিকে সরকারী করণ করা, মাইনীবাজার টু লংগদু সড়কের বাকী কাজ করা, লংগদু সেনামৈত্রী বিদ্যানিকেতনের ভবন নির্মাণ, ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের জায়গা নির্ধারণ, বিদ্যুৎতের সাবষ্টেশন নির্মাণের জন্য ভবন ও জায়গা দখলমুক্ত করা সহ আরো কিছু বড় সড়ক ও সেতু নির্মাণের প্রকল্প বাস্তবায়নের ব্যাপারে আমরা গভীরভাবে কাজ করেছি। সেগুলো অচিরেই বাস্তবায়ন হবে। এর ফলে বেশি দিন লাগবে না আপনাদের লংগদু একটি উন্নয়নের রোল মডেল উপজেলা হয়ে উঠতে পারে। তখন আপনাদের জীবনমান অনেক পরিবর্তন হয়ে যাবে। তিনি আরো বলেন, আমি যখন যে টা করতে চেয়েছি তাতে আপনাদের সহযোগীতা পেয়েছি। আমি চেয়েছিলাম একটা সার্বিক পরিবেশ। এই উন্নয়নের গতি যেন চলমান থাকে। সকলেই নিঃস্বার্থভাবে এলাকার উন্নয়নে কাজ করে যাবেন। সর্বোপরি পরস্পরকে সহয়োগীতা ও পাহাড়ী বাঙালী সহবাস্থানে থাকলে উন্নয়নের গতি বাড়বে। পরিশেষে আপনারা আমার জন্য আমার পরিবারের সদস্যদের জন্য দোয়া করবেন।
শেষে বিদায়ী জোন কমান্ডারকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্রেস্ট উপহার দেওয়া হয়।

মন্তব্য বন্ধ আছে তবে ট্র্যাকব্যাক ও পিংব্যাক চালু রয়েছে।