গুলশাখালী ফল ব্যবসায়ী সমবায় সমিতিরআয়োজনে উন্নত জাতের জলপাই চাষীদের সংবর্ধনা প্রদান

২০৮

মো.গোলামুর রহমান।।

রাঙ্গামাটির দুর্গম লংগদু উপজেলায় প্রথমবারের মত উন্নতজাতের জলপাই বীজ আবিস্কারের মাধ্যমে অত্র উপজেলার বাগান মালিকদের উপার্জনের নতুন পথ সৃষ্টি করে দেওয়ায় গুলমাখালী ইউনিয়নের কৃতি সন্তান এরশাদ মাস্টারকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

রবিাবর ( ১১ জানুয়ারি) বেলা ৩টায় গুলশাখালী চৌমুহনী বাজারের গুলশাখালী ফল ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির আয়োজনে, উক্ত সমিতির কার্যলয়ে সমিতির সভাপতি ইসমাইল হোসেনের সভাপতিত্বে, অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন অত্র সমিতির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম।

এসময় অত্র উপজেলায় যারা নাভিজাতের উন্নতমানের জলপাই বীজ চারা রোপন করে সফল হয়েছেন, এধরণের ছয়জন সফল জলপাই চাষীকে উক্ত সমবায় সমিতির পক্ষ হতে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি আবু নাছের। সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য আব্দুর রহিম, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জহুরুল হক মিলন, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল সহ অত্র এলাকার বাগান মালিকরা।

উন্নতজাতের জলপাই বীজ আবিস্কারক এরশাদ মাস্টার বলেন, আমি বিভিন্ন সময় নানরকম ফসলাদি নিয়ে চিন্তা ভাবনা করে থাকি, কি ভাবে অত্র এলাকার মানুষের জন্য নতুন কিছু দেওয়া যায়, যা দিয়ে এখানকার চাষীরা সফল হবে। তারই ধারাবাহিকতায় জলপাই চাষকে আরো প্রসারিত করতে তিনি ২০০৬ সালে এ বীজের আবিষ্কার করেন। দীর্ঘ পাঁচবছর নিজেই পর্যবেক্ষণ করে, ২০১১ সালে চারা আকারে বাজারে তুলেন তিনি। এরপর থেকে যারা চারা ক্রয় করেছে সকলেই সফল হয়েছেন।

এসময় বক্তব্যে বক্তারা বলেন, জলপাই চাষে শুধু কৃষকরাই সফল হয়েছে বিষয়টা এমন নয়, জলপাই যেহেতু উঁচু নিচু সকল জায়গায় চাষ করা হয়, তাই পাহাড়ি অঞ্চলের মাটি ভাঙ্গা রোধ, অনাবাদি জায়গায় চাষ করা সহ নান উপকার হচ্ছে। তাই সকলকে উন্নত জাতের জলপাই চাষের জন্য উৎসাহিত করা হয়েছে।

মন্তব্য বন্ধ আছে